51 বার প্রদর্শিত
"জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (100 পয়েন্ট)  

1 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (160 পয়েন্ট)  

আমাদের অনেকের ধারণা USA পড়াশোনা করতে যাওয়া বোধহয় খুই কঠিন কাজ। আর এমন ভয়ে আমরা কখনও চেষ্টাও করি না। কিন্তু সেটি সম্ভবপর ব্যাপার। কিভাবে USA পড়াশোনা করতে কিভাবে যাবেন জেনে নিন।

আপনাকে প্রথমেই USA উচ্চশিক্ষার জন্য ভিসা পেতে এবং ইউনিভার্সিটি সিলেক্টশান এর জন্যে আমেরিকান সেন্টার এর হেল্প নিতে হবে। USA তে উচ্চ শিক্ষা নিতে চাইলে ৫টি ধাপ রয়েছে। তবে প্রতিটি ধাপ বেশ সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে আপনাকে এর জন্য কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। আপনার কাগজপত্র সব ঠিক আছে কি না সেটি প্রথমেই দেখতে হবে। তারপর ভিসা অ্যপ্লিকেশনের জন্য ধাপগুলোর নিয়ম অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে।

ধাপ: এক

আপনাকে প্রথমে দেখতে হবে যে বাংলাদেশে আপনার এডুকেশান ব্যাকগ্রাউন্ড কি? কোন ডিগ্রীর জন্য আপনি আবেদন করতে চাচ্ছেন?

Admission & Visa –র জন্যে আপনার যা জানা দরকার:

# একটি শক্তিশালী একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড রয়েছে কি না।

# ভাল আর্থিক সহায়তা রয়েছে কি না।

# ইংরেজি ভাষার ওপর ভালো দক্ষতা রয়েছে কি না।

মাস্টার্স ডিগ্রী প্রোগ্রাম (MS) করতে হলে:

আপনি শিক্ষার ১৬ বছর বাংলাদেশে মার্কিন স্নাতক এর সমতুল্য কোনো ডিগ্রী করেছেন, কিংবা আপনার একটি B.Sc. ডিগ্রি অবশ্যই থাকতে হবে, কিংবা আপনার একটি MBBS ডিগ্রি থাকতে হবে।

স্নাতক প্রোগ্রাম (BSc) যেতে হলে:

আপনি বাংলাদেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের অন্তত ১২ বছর কিংবা SSC ও H.S.C. এর সমমানের ডিগ্রী থাকতে হবে।

ধাপ: দুই

আপনার যে সব পরীক্ষার স্কোর লাগবে সেগুলো হলো:

IELTS অথবা TOEFL দিয়েও আপনি অ্যাপ্লাই করতে পারবেন

ধাপ: তিনরাইট চয়েস মেকিং কি হবে:

USA তে সাড়ে ৪ হাজারের উপর কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ৪,৫০০ ইউনিভার্সিটি-র প্রত্যেকটির ইন্টারনেট সাইট সার্চ করা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। ইউনিভার্সিটি সিলেক্টশান করার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে যেমন:

# যে ইউনিভার্সিটিতে আপনি অ্যাপ্লায় করবে সেটিতে আপনার field of interest এ ভাল degree program অফার করে কি-না? এই জন্য আপনি ranking দেখে নিন।
# এটা কতটা competitive? অর্থাৎ জব মার্কেটের জন্যে সেটি আপনাকে দেখতে হবে।
# টিউশান ফিস কেমন লাগবে তা দেখে নিতে হবে।
# how big is the school. (physical size অথবা student population)?
# financial aid offer করে কি-না তাও দেখে নিন।
# where is it located? অর্থাৎ লোকেশান দেখার সময় আপনাকে দেখতে হবে ওই স্টেটে In-state tuition offer করে কি না, তাছাড়া লিভিং cost কেমন ইত্যাদিও আপনাকে জানতে হবে।
# ইউনিভার্সিটি accredited কি না? (check accreditation at http://www.chea.org) সেটিও জানতে হবে।

ইন্টারনেটে যেভাবে ইউনিভার্সিটি অনুসন্ধান করবেন:

কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আপনি কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো একটি র‌্যাঙ্কিং পাবেন। প্রতিষ্ঠানটির সাবজেক্ট, লোকেশান, ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট রেশিও বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্য দ্বারা আপনি অনুসন্ধান করতে পারবেন এই ওয়েবসাইটে (http://www.princetonreview.com)।

ধাপ: চার

ইউনিভার্সিটি সিলেক্টশন নিয়ে যে বিষয়গুলো গবেষণা দরকার:

# ওয়েব সাইট দেখে অথবা অন্যকোনো সাহায্য নিয়ে আপানি প্রথমে ১৫/২০টি ইউনিভার্সিটি সিলেক্ট করে নিতে হবে।
# তারপর সেই ইউনিভার্সিটিগুলোর অ্যাপ্লিকেশন রিকুয়ারমেন্টস ভালো করে দেখে নিতে হবে।
# ইউনিভার্সিটিটি আপনার সাবজেক্ট-এ কি ধরনের ফান্ড দেয় তাও জেনে নিতে হবে।
# প্রফেসরদের রিসার্স প্রোফাইলও দেখে নেওয়া দরকার।
# সম্ভব হলে প্রফেসরদের সঙ্গে ই-মেইল কন্টাক্ট করে নিন।
# ওই ইউনিভার্সিটিতে কোন কোন বাংলাদেশী রয়েছে কি-না তা ‍খুঁজে বের করার চেস্টা করুন। কোনো বাংলাদেশীকে পেলে যোগাযোগ করে সহজেই ডিটেইলস জেনে নিতে পারবেন।
# এরপর অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম ফিলাপ করে নিন।

প্রক্রিয়া এক দীর্ঘতর। অন্তত ক্লাশ স্টার্ট ডেট-এর অন্তত এক বছর পূর্বে শুরু করতে হবে। অধিকাংশ মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নেওয়া শুরু করে আগস্ট/সেপ্টেম্বর হতে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের deadline থাকে সাধারণত জানুয়ারী হতে মার্চ পর্যন্ত।

ধাপ: পাঁচ

আবেদন করবেন যেভাবে:

অন্ততপক্ষে ৪ হতে ৬ স্কুলে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদনের জন্যে নির্বাচন করুন। সম্পূর্ণ আবেদনপত্র পাঠান, সঙ্গে অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সরাসরি কলেজ অথবা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কশিট পাঠান।

তবে আপনাকে অবশ্যই নিশ্চিত হতে হবে যে আপনি প্রতিটি স্কুলের আবেদন পাঠাবার শেষ তারিখ সম্পূর্ণভাবে ফলো করেছেন। তবে প্রতিটি ইউনিভার্সিট’র ডেডলাইন-এর অন্তত ২/৩ মাস আগে আপনার অ্যাপ্লিকেশন প্যাকেজ পাঠিয়ে দিন। সেক্ষেত্রে আপনি সহজেই ফান্ডিং পাবেন।

প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র সাধারণত আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের অরিজিনাল সার্টিফিকেট এবং মার্ক শীট, টেস্ট স্কোর, সুপারিশ চিঠি, আবেদন ফি, এবং আপনার শিক্ষা এবং বসবাস খরচ দিতে যথেষ্ট টাকা আছে এর জন্যে সাপোর্টিং ডকুমেন্টস অন্তর্ভুক্ত করবেন.

ডকুমেন্টসগুলো পাঠানোর পরে সর্বোচ্চ ৬ হতে ৮ সপ্তাহের মধ্যে আপনি ইউনিভার্সিটি হতে offer/rejection এর একটা decision পাবেন।

যখন কোনো ইউনিভার্সিটি আপনার অফার আক্সেপ্ট করবে, তখন ওই ইউনিভার্সিটি আপনাকে I-20 issue করবে। এই I-20 নিয়ে তখন আপনাকে US-embassy তে visa-র জন্যে যেতে হবে।

ভিসা সম্পর্কে আরও জানতে এই লিংকে ক্লিক করতে পারেন:

http://www.ustraveldocs.com

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
23 জুলাই "প্রেম-ভালোবাসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
1 উত্তর
01 এপ্রিল "ইসলাম ধর্ম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Mehedi Hasan (2,958 পয়েন্ট)  
2 টি উত্তর
22 মার্চ "প্রেম-ভালোবাসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অচেনা পথিক (-17 পয়েন্ট)  
2 টি উত্তর

20,320 টি প্রশ্ন

19,128 টি উত্তর

2,647 টি মন্তব্য

1,163 জন সদস্য



প্রশ্ন অ্যানসারস এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে কমিউনিটির এই প্ল্যাটফর্মের সদস্যের মাধ্যমে আপনার প্রশ্নের উত্তর বা সমস্যার সমাধান পেতে পারেন এবং আপনি অন্য জনের প্রশ্নের উত্তর বা সমস্যার সমাধান দিতে পারবেন। মূলত এটি বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য একটি প্রশ্নোত্তর ভিত্তিক কমিউনিটি। বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য।

  1. অনিক আহমেদ

    512 পয়েন্ট

  2. Yasin Arafath

    330 পয়েন্ট

  3. Abusayid

    228 পয়েন্ট

  4. জামিয়ার রহমান

    139 পয়েন্ট

  5. ALADIN

    126 পয়েন্ট

...