75 বার প্রদর্শিত
"মোবাইল ফোন" বিভাগে করেছেন (2,776 পয়েন্ট)  
আমরা যখন মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করি, তখন মোবাইলের উপরে ‘G’ , ‘E’ কিংবা ‘H+’ এগুলো কি উঠে!
আর কেনইবা ‘E’ অথবা ‘H’ লেখা থাকে?

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,413 পয়েন্ট)  

G, E, 3G, H, H+, LTE এগুলো সবই নেটওয়ার্ক- এর সংস্করণ।
মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময়, আপনার পার্শ্ববর্তী নেটওয়ার্ক-এর উপর নির্ভর করে G, E, 3G, H, H+, LTE উঠে থাকে।
G থেকে LTE প্রযুক্তি ও এর গতিসীমা নিয়ে কিছু তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরা হল ।

মোবাইলে

G = GPRS (General Packet Radio Service- জেনারেল প্যাকেট রেডিও সার্ভিস)
* জিপিআরএস প্রতি সেকেন্ডে 56-114 kbit ডাটা প্রদান করতে সক্ষম।
আপনার মোবাইল স্ক্রিনে যদি ‘G’ লেখা উঠে থাকে তবে আপনি ইন্ট (সর্বনিম্ন) কোয়ালিটি ব্যবহার করছেন।
এক্ষেত্রে, আপনার নেট স্পিড থাকবে খুবই কম।

E = EDGE (Enhanced Data Rate for GSM Evolution- উন্নত ডাটা রেট GSM বিবর্তনের জন্য)।
যদি E লেখা থাকে তার মানে আপনি GPRS এর চেয়ে ভালো কোয়ালিটির ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। E এর প্রতি সেকেন্ডে 400kbit পর্যন্ত ডাটা প্রদান করতে সক্ষম ।
এটিই মূলত 2G ইন্টারনেট। বাংলাদেশের প্রায় সব এলাকাই 2G বা EDGE কাভারেজ সম্পন্ন।

3G = 3.5G HSDPA (High Speed Downlink Packet Access- হাই স্পিড ডাউনলিংক প্যাকেট অ্যাক্সেস) , HSDPA এর মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে 7.2 Mbit ডাটা পাওয়া সম্ভব HSUPA (High Speed Uplink Packet Access- হাই স্পিড আপলিংক প্যাকেট এক্সেস), HSUPA প্রতি সেকেন্ডে 5.8 mbit আপলোড স্পীড পাওয়া যায়।
বাংলাদেশে 3G চালু হলেও মোবাইল অপারেটরগুলা এর চেয়ে উন্নত সংস্করণের ইন্টারনেট চালু করেছে।
যার কারণে 3G কাভারেজ এলাকায় নেট ব্রাউজ করলে মোবাইল স্ক্রিনে H অথবা H+ উঠে।
* যার গতি হল GSM এবং EDGE এর চেয়ে দ্রুত গতির ইন্টারনেট সংস্করণ।

H = 3.5G / HSDPA (High Speed Downlink Packet Access- হাই স্পিড ডাউনলিংক প্যাকেট অ্যাক্সেস), HSDPA এর মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে 7.2 Mbit ডাটা পাওয়া সম্ভব।
HSUPA (High Speed Uplink Packet Access- হাই স্পিড আপলিংক প্যাকেট এক্সেস), HSUPA প্রতি সেকেন্ডে 5.8 mbit আপলোড স্পীড পাওয়া যায় ।
3.75G / HSPA (High Speed Packet Access- হাই স্পিড প্যাকেট এক্সেস)।
HSPA প্রযুক্তিতে প্রতি সেকেন্ডে 21থেকে 28 mbit স্পিড পাওয়া সম্ভব।

H+ = 3.8G, 3.85G, 3.9G (Pre-4G)
HSPA+ (Evolved High Speed Packet Access- প্রসূত হাই স্পিড প্যাকেট এক্সেস), HSPA+ প্রযুক্তিতে প্রতি সেকেন্ডে 168mbit পর্যন্ত স্পিড পাওয়া সম্ভব ।

LTE= LTE (Long Term Evolution) দীর্ঘ মেয়াদী বিবর্তন।
LTE প্রযুক্তিতে প্রতি সেকেন্ডে 299.6 Mbit পর্যন্ত গতি পাওয়া সম্ভব ।

3G/3.G+ এর চেয়ে দ্রুত গতির ইন্টারনেট হল LTE বা 4G , যা আমাদের দেশে বাণিজ্যিকভাবে এখনও চালু হয়নি।
বাংলালায়নসহ অন্যান্য ওয়াইম্যাক্স কোম্পানিগুলো LTE চালু করতে চাচ্ছে কিন্তু নরমাল মোবাইল অপারেটর গুলোর কারনে তা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা গেছে।

  1. আপনি যদি 3G নেটওয়ার্ক এলাকায় অবস্থান করেন তবে আপনার মোবাইলে 3g লেখা দেখাবে।
  2. আপনি যদি 3.5g বা 3.75G নেটওয়ার্ক এলাকায় অবস্থান করেন তবে আপনার মোবাইলে H লেখা দেখাবে।
  3. আর আপনি যদি 3.8G বা 3.9G নেটওয়ার্ক এলাকায় অবস্থান করেন তবে আপনার মোবাইলে H+ লেখা দেখাবে।
Md. Mizan প্রশ্ন ডট কম এর প্রতিষ্ঠাতা। মানুষের সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যেকে লক্ষ্য করেই ২০১৭ সালে প্রশ্ন অ্যানসারস প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে তিনি একজন ডিপ্লোমা কম্পিউটার ইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অধ্যয়নরত আছেন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
18 জুলাই 2018 "অ্যান্ড্রয়েড" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন R.A.rupu SR(pl) (3,441 পয়েন্ট)  
1 উত্তর
13 অক্টোবর 2018 "প্রোগ্রামিং" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন কামরুল হাসান ফরহাদ (3,349 পয়েন্ট)  
1 উত্তর
30 মার্চ 2018 "মোবাইল ফোন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Proshn Answers (218 পয়েন্ট)  

20,635 টি প্রশ্ন

20,151 টি উত্তর

2,831 টি মন্তব্য

1,323 জন সদস্য



প্রশ্ন অ্যানসারস এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে কমিউনিটির এই প্ল্যাটফর্মের সদস্যের মাধ্যমে আপনার প্রশ্নের উত্তর বা সমস্যার সমাধান পেতে পারেন এবং আপনি অন্য জনের প্রশ্নের উত্তর বা সমস্যার সমাধান দিতে পারবেন। মূলত এটি বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য একটি প্রশ্নোত্তর ভিত্তিক কমিউনিটি। বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য।

...