32 বার প্রদর্শিত
"বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (72 পয়েন্ট)  

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (1,396 পয়েন্ট)  

wifi-798314_1280

ওয়াইফাই নিরাপত্তা ভঙ্গ হওয়া আজকাল আর নতুন কোন বিষয় নয়। আমার মতে এতো দিনে হয়তো আপনিও ১০-১২ টি পোস্ট পড়ে ফেলেছেন ইন্টারনেটে যে কীভাবে এর নিরাপত্তা স্তর নষ্ট করে বা পাসওয়ার্ড চুরি করে এটি ব্যবহার করা যায়। তো চলুন এবার এর নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা শুরু করা যাক।

সর্বপ্রথম যে সিকিউরিটি সিস্টেমটি চালু করা হয়েছিলো তার নাম ছিল ডবলু-ই-পি (WEP) অর্থাৎ (Wired Equivalent Privacy)। কিন্তু এই সিকিউরিটি সিস্টেমটির ইনক্রিপশন ছিল মাত্র ৬৪ বিটের। [ইনক্রিপশন কি এবং কীভাবে কাজ করে জানতে অবশ্যই এই পোস্ট টি পড়ুন] এবং এই কথাটি হলো আজ থেকে ১৪-১৫ বছর আগের। যাই হোক, এই ডবলু-ই-পি সিকিউরিটি সিস্টেমটি নষ্ট করা অনেক সহজ একটি ব্যাপার ছিল। একটি সাধারন কম্পিউটারে ব্রুট ফোর্স অ্যালগোরিদম ব্যবহার করে এই সিকিউরিটি সিস্টেমটি অনেক সহজেই নষ্ট করা যেতো। ব্রুট ফোর্স অ্যালগোরিদম হলো এমন একটি সিস্টেম যেখানে সকল সম্ভাব্য পাসওয়ার্ডকে বারবার ব্যবহার করে কোন সিস্টেমে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়।

২০০৬ সালে এর নতুন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমটি চালু করা হয়েছিলো এবং এর নাম ছিল ডবলু-পি-এ (WPA) (ওয়াইফাই প্রটেক্টেড অ্যাক্সেস)। তো এটি ডবলু-ই-পি এর তুলনায় কিছু বেশি শক্তিশালী ছিল। কিন্তু তখন সকল রাউটার গুলোতে আপডেট প্রদান করা হয়েছিলো যে তারা ডবলু-ই-পি থেকে যেন ডবলু পি এ তে চলে যায়। এই আপডেট দেওয়ার সময় অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয় এবং ডবলু-পি-এ সিকিউরিটি স্ট্যান্ডার্ডও নষ্ট করা তেমন কঠিন ছিল না।

এর পরে আরেকটি নতুন সিকিউরিটি স্ট্যান্ডার্ড নিয়ে আসা হয়, যার নাম ডবলু-পি-এ ২ (এ-ই-এস) (WPA 2 AES)। এটি ডবলু-পি-এ এর একটি দ্বিতীয় সংস্করণ। এবং এটি কাজ করে এ-ই-এস এর উপর। এ-ই-এস মানে অ্যাডভান্সড ইনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড। এটি এমন একটি ইনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড যেটাকে যদি একটি সর্বাধুনিক কম্পিউটার দ্বারা নষ্ট করার চেষ্টা করা হয় ব্রুট ফোর্স অ্যালগোরিদম ব্যবহার করে তবে এতে প্রায় কয়েক হাজার বছর লেগে যাবে।

তো পিছনের ২-৩ বছর আগে যদি আপনি একটি রাউটার কিনে থাকেন তবে অবশ্যই সেখানে ডবলু-পি-এ ২ (এ-ই-এস) অপশন আছে পাসওয়ার্ড এর জন্য। এবং আপনি যদি এখনো অন্য কোন সিকিউরিটি স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে থাকেন তবে অবশ্যই সেটি সরিয়ে ডবলু-পি-এ ২ (এ-ই-এস) চালু করে নিন। এতে মনে করুন আপনার সিকিউরিটি নষ্ট করা এক প্রকারের অসম্ভব।

আরেকটি কথা, মনে করুন আপনি অন্য কারো ওয়াইফাই ব্যবহার করছেন বা কোন ফ্রী নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছেন তবে এই অবস্থায় শুধু এমন কোন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করুন যার উপর আপনি পুরোপুরি ভরশা করতে পারবেন। যেমন ধরুন সেটি যদি কোন বড় কোম্পানির কানেকশন হয় যেমন গুগল তো তবেই সেটি ব্যবহার করুন। কেনোনা আপনি যখন কোন নেটওয়ার্ক এর সাথে আপনার কোন ডিভাইজ কে কানেক্ট করবেন তখন ঐ নেটওয়ার্ক এর মালিক আপনার উপর অর্থাৎ আপনার নেটওয়ার্ক কর্মকাণ্ডের উপর পুরো নজর রাখতে পারে। এতে আপনার নিরাপত্তাহানী হতে পারে। তাই কোন নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত হওয়ার আগে অবশ্যই ভেবে দেখুন। আর যদি এমনটা হয় যে আপনাকে নেটওয়ার্কটি ব্যবহার করতেই হবে যদিও আপনি বিশ্বাস করতে পারছেন না, তবে এই অবস্থায় ভিপিএন ব্যবহার করা উচিৎ হবে।

সুত্রঃ  techubs

Md. Mizan প্রশ্ন ডট কম এর প্রতিষ্ঠাতা। মানুষের সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যেকে লক্ষ্য করেই ২০১৭ সালে প্রশ্ন অ্যানসারস প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে তিনি একজন ডিপ্লোমা কম্পিউটার ইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অধ্যয়নরত আছেন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
1 উত্তর
1 উত্তর
25 অগাস্ট "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আসিফ ভাইয়ের ভক্ত (73 পয়েন্ট)  
0 টি উত্তর
05 জুন "ফেসবুক" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Mehedi Hasan (2,961 পয়েন্ট)  

20,363 টি প্রশ্ন

19,242 টি উত্তর

2,675 টি মন্তব্য

1,177 জন সদস্য



প্রশ্ন অ্যানসারস এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে কমিউনিটির এই প্ল্যাটফর্মের সদস্যের মাধ্যমে আপনার প্রশ্নের উত্তর বা সমস্যার সমাধান পেতে পারেন এবং আপনি অন্য জনের প্রশ্নের উত্তর বা সমস্যার সমাধান দিতে পারবেন। মূলত এটি বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য একটি প্রশ্নোত্তর ভিত্তিক কমিউনিটি। বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য।

  1. অনিক আহমেদ

    667 পয়েন্ট

  2. Yasin Arafath

    348 পয়েন্ট

  3. Abusayid

    228 পয়েন্ট

  4. অাতিকুর রহমান আতিক

    210 পয়েন্ট

  5. R.A.rupu SR(pl)

    140 পয়েন্ট

...