54 বার প্রদর্শিত
"পড়াশোনা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (171 পয়েন্ট)  

2 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (715 পয়েন্ট)  
শুধুমাত্র পড়ার জন্য নয়, প্রাত্যহিক
জীবন যাপনের একটা রুটিন করে
ফেলুন। সর্য ওঠার পূর্বেই শয্যা ত্যাগ
করুন। সকালে কোমল পরিবেশে
স্বাস্থ্য যেমন ভালো থাকবে। মন
তরতাজা থাকে-এ সময়ে
পড়াশোনা ভালো হওয়ারই কথা।
শ্রেণীকক্ষেপূর্ণ মনোযোগী হবেন।
হাতের লেখা সুন্দর, সপষ্ট, দ্রুত করার
চেষ্টা করুন। যে কোনো পড়ার পূর্বে
নিজের অটুট সংকল্প বা
আত্মবিশ্বাস একটু ঝালিয়ে নিন।
বুঝে জেনে পড়ার চেষ্টা করুন।
অনুকূল পারিপার্শ্বিকতা
প্রত্যেকটা মানুষই অগাধ সহজাত
প্রতিভা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। সেই
মানুষটি তার চেনা পরিবেশ,
পারিপার্শ্বিকতা, পারিবারিক
প্রকৃতি, সামাজিক, আর্থিক
ভেদাভেদ দেখে শেখে এবং
এইভাবে শারীরিক ও
মানসিকভাবে বড় হতে থাকে।
প্রচলিত একটা বাক্য আছে বনের
বাঘে খায় না মনের বাঘে খায়।
সহজ তো সহজই। কঠিনকে কঠিন করে
দেখলে কঠিন আরো কঠিন হতে
থাকে। কঠিন বিষয়ের সঙ্গে দূরত্ব
বাড়তে থাকে। আর পজিটিভ
মানসিকতা ‘আমি সব পারি’,
‘আমাকে সব পারতে হবে’। আমি আর
দশটা মানুষের মতো মানুষ, তাহলে
অন্য কেউ পারলে সেই কাজটি
আমিও পারব।
এই কথাগুলো যদি আপনার মনের কথা
হয় ছাত্র হিসেবে খারাপ হওয়ার
কোনো কারণ দেখছি না।
ছাত্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য
থরে থরে সাজানো বই হরদম মুখস্ত
করার চর্চা কিংবা পরীক্ষার
খাতায় উগরে দিয়ে আসাই
ছাত্রের কাজ নয়। ছাত্র জীবন হচ্ছে-
S-Study
T-Truthfulness
U-Unity
D-Desicipline
E-Education
N-Neatness
T-Tidiness
আপনি বলুন তো এসবের প্রত্যেকটা
গুণ আপনি আজ থেকে অর্জন করতে
থাকবেন। তাহলে আপনার সামনে
সোনালী ভবিষ্যত অপেক্ষা করছে।
সাধনার সময়
ছাত্র জীবন সাধনার সময়। এটা কি
কাউকে বলে দিতে হয়? শুধু স্মরণ
করলাম।
বিশ্ব সংসারটাই ধ্যান আর
জ্ঞানের। (ধ্যান+জ্ঞান=সফল জীবন)
লক্ষ্য করুন সাধারণত যারা খোদা
ভীরু তার জীবন যাপন একটু ভিন্ন
ধাচের নিয়ম নিষ্ঠ। ফজরের নামাজ
থেকে শুরু করে এশার নামাজ পর্যন্ত
নিয়ম মেনে চলার কারণে এমন
অনেকের নামাজ পড়ার ইচ্ছা
থাকা সত্ত্বেও নামাজে নিয়মের
কারণে নামাজ পড়া হয়ে ওঠে না।
ভালো ছাত্র হওয়ার মন্ত্রজপ নেই।
আছে আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায়, নিয়ম
নিষ্ঠা, ধৈর্য, মনোযোগ,
উচ্চাকাক্ষা, একাগ্রতা, ত্যাগের
সুষম ব্যবহারিক বন্টনের মাধ্যমে
আত্মোন্নয়ন।
আত্মবিশ্বাস
নিয়মনিষ্ঠা, অধ্যবসায়, মনোযোগ,
উচ্চাকাক্ষা, একাগ্রতা
উলেস্নখিত বিষয়গুলোকে ফর্মলা
হিসেবে নিতে চাইলে নিতে
পারেন। আত্মবিশ্বাসে আপনি
হারকিউলিস। পড়াশোনার
ব্যাপারে আপনার ত্যাগ, নিষ্ঠা,
অধ্যবসায়ে আপনি অনমনীয়। অনেক
ছাত্রকেই বলতে শোনা যায় ‘আমার
মাথা ভালো না, পড়া মনে
রাখতে পারি না, বলতে হবে
তারা নিজেদেরকে গাইড করতে
পারছেন না। সঠিক মনোযোগ ধরে
রাখতে না পারার কারণেও এটা
হতে পারে।
অধ্যবসায় এমন একটি জীবন গড়ে
দিতে পারে-পরবর্তী জীবনে
বুকের ছাতি সগৌরবে দু’ ইঞ্চি
বেড়ে যাবে। আপনি পারেন না
সবাই পারেন।
একথাটাই প্রতিদিন সকাল বিকাল
গুনে গুনে ১০০বার করে আউড়ান।
কাজ হয় কিনা দেখুন। সঙ্গে আপনার
মরচে আত্মবিশ্বাসটাও দেখুন কেমন
নড়েচড়ে ওঠছে কিনা দেখুন।
আত্মবিশ্বাস আর অধ্যবসায় যিনি
১০০% দিতে পারছেন বাকি সব
সমস্যাই ফুৎকারে উড়ে যাচ্ছে।
ধৈর্য আর মনোযোগ দুটি ফাঁকা
ঘরের মতো সেই ঘরে আপনি যা কিছু
আপন করবেন তাই আপনার সম্বল।
উচ্চাকাক্ষা কার না আছে। কি
বলুন, বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন
আপনার নেই! নিয়মনিষ্ঠতা
গ্রাহ্যতা যে কোনো মানুষের জন্যই
অপরিহার্য। সুস্থতার জন্য হলেও
আপনি নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য।
সকাল-সন্ধ্যার পড়ার সময়ের হিসাব
মেনে চলুন। খাওয়া দাওয়া,
নিজের শারীরিক পরিচর্যা, দিবা
নিদ্রা, পারিবারিক ও বন্ধুর সঙ্গ
সবকিছুই আপনি রুটিনে নিয়ে আসুন।
মুখস্ত করে সঙ্গে সঙ্গে না দেখে
লিখে ফেলবেন। আজকের কাজ
আগামী দিনের জন্য ফেলে
রাখবেন না।
শুধুমাত্র পড়ার জন্য নয়, প্রাত্যহিক
জীবন যাপনের একটা রুটিন করে
ফেলুন। সর্য ওঠার পূর্বেই শয্যা ত্যাগ
করুন। সকালে কোমল পরিবেশে
স্বাস্থ্য যেমন ভালো থাকবে। মন
তরতাজা থাকে-এ সময়ে
পড়াশোনা ভালো হওয়ারই কথা।
শ্রেণীকক্ষেপূর্ণ মনোযোগী হবেন।
হাতের লেখা সুন্দর, সপষ্ট, দ্রুত করার
চেষ্টা করুন। যে কোনো পড়ার পূর্বে
নিজের অটুট সংকল্প বা
আত্মবিশ্বাস একটু ঝালিয়ে নিন।
বুঝে জেনে পড়ার চেষ্টা করুন।
স্মরণশক্তি
নিজের স্মরণশক্তির ওপর অগাধ
আস্থা রাখতে শিখুন। ভাবুন আপনি
যা পড়ছেন তা আপনি মনে রাখার
ক্ষমতা রাখেন। মানুষের মস্তিষক
একটা অসীম বড় কুঠুরি। সারা জীবন
যা শিখবেন, দেখবেন মনে রাখার
মতো ক্ষমতা তার আছে। প্রয়োজনে
বিষয়বস্তু ভাষায় কঠিন থেকে
ঝরঝরে সহজ সুপাঠ্য করে নেবেন।
বড় রচনাবলী মুখস্ত হতে না চাইলে
ভাগ ভাগ করে অন্য কোনো
ইন্টারেস্টিং বিষয়ের সঙ্গে
মনছবি মিলিয়ে বা তারতম্য করে
পড়তে পারেন। একবার ব্যর্থ হলে
বারবার চেষ্টা করুন।
আন্তরিকভাবে নিজেকে সাহায্য
করার চেষ্টা করুন। আমাদের মধ্যে
এমন অনেকেই আছেন যারা পড়া
মুখস্ত রাখতে পারেন না অথচ
স্যাটেলাইট চ্যানেলে একবার
শুনেই কোনো মুখস্ত বলে দিতে
পারেন।
ভুলে যাওয়ার প্রবণতা
বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী
আইনস্টাইন মায়ের ইচ্ছায় ছয় বছর
বয়সে বেহালা স্কুলে ভর্তি
হয়েছিলেন। কিন্তু্তু তার
স্মৃতিশক্তি এত দুর্বল ছিলো দ্বিতীয়
বারের প্রচেষ্টায় দশ বছর বয়সে
স্কুলে ভর্তি হতে পেরেছিলেন।
এসএসসি পাস করতেও তার দুবার
পরীক্ষা দিতে হয়েছিলো।
স্মৃতিশক্তি স্বল্পতার জন্য তিনি
ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে অস্বীকার
করেন। স্কুলে চাকরি খোঁজার
চেষ্টায় গিয়ে পড়লেন বিপাকে।
ইন্টারভিউ বোর্ডে গিয়ে তিনি
কিছুই মনে রাখতে পারেন না।
কোথাও তার চাকরি হলো না।
পরবর্তীতে টানা দুই বছর তিনি শুধু
স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর কাজে
নিয়োজিত থাকলেন। তার পরের
ইতিহাস সবার জানা-এর ঠিক ২০ বছর
পর তিনি নোবেল বিজয়ী হন। এই রকম
কিংবদন্তী হয়েছেন উদাহরণ দিয়ে
শেষ করা যাবে না। টমাস আলভা
এডিসন, ভাস্কর রঁদা, ইমাম
গাজ্জালী, রোপদেব, মার্কিন
প্রেসিডেন্ট উন্ড্রোউইলসন প্রত্যেকই
প্রথম জীবনে স্মৃতিশক্তি নিয়ে
বিপর্যস্ত ছিলেন।
মেধা বাড়ানো
মস্তিষক বেশি পরিমাণে ব্যবহার
করার জন্য প্রয়োজন সুসংহত মানসিক
প্রস্তুতি। দৃষ্টিভঙ্গি গড়ূন
সেভাবেই। নিজের মনের
ইচ্ছাশক্তি ও তৎপরতার সম্পর্ণ
নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করুন। এভাবে
কয়েক দিন অনুশীলন করুন। আপনি সফল
হবেন।
বুদ্ধি বিকাশ
শুধু পাঠ্য বই নয়, জ্ঞানের
হাবিজাবি নয় হাল্কা জোকস,
উপন্যাস, কবিতা পড়ূন। টিভি দেখুন,
ছুটির দিনে বেরিয়ে পড়ূন একটু
বেড়িয়ে আসুন।
আবেগ
আবেগ যদি ইতিবাচক ফলদায়ক হয়
তাহলে আপনার আবেগ
অতিমাত্রায় বেশি হলে ক্ষতি কি!
আপনার সম্পদ হতে পারে এটা।
আবেগের সঙ্গে জেদ ধরুন, আজকের
পড়া পরিকল্পনা আজকেই নির্দিষ্ট
সময়ের ভেতর শেষ করবেন। জেদ/
আবেগের ইতিবাচক চর্চা প্রতিদিন
অনুশীলন করুন।
পড়া মুখস্ত করার সহজ উপায়
লেখাপড়ায় যারা অনিয়মিত
কিংবা অমনোযোগী, তাদের
কাছে মুখস্ত করার ব্যাপারটি বেশ
জটিল। আপনি যদি মুখস্ত বিদ্যায়
পারদর্শী না হন তাহলে নিচের
কিছু নিয়ম মেনে দেখতে পারেন
সফলতা সম্পর্ণ আপনার সদিচ্ছার ওপর।
হাত পা ধুয়ে, চোখে মুখে পানি
দিয়ে কিংবা হাল্কা ব্যায়াম
করে আপনি একনিষ্ঠতার প্রথম
ধাপটি ঢুকে পড়ূন।
চেয়ারে বসে প্রথমে নিজেকে
বলুন, এখন আমি চলমান জীবন
থেকে অন্য ভুবনে চলে গেছি।
এখানে আমার স্বজন বই, খাতা,
কলম। যতক্ষণ রুটিন অনুযায়ী পড়বেন
স্থির করেছেন পূর্বেই। ততক্ষণ
আপনি মাঝে মধ্যে নিজের
সঙ্গে কথা বলে নিজের
আত্মবিশ্বাস মনোযোগ ঝালাই
করে নিন।
ভাগ ভাগ করে পড়ূন।
অর্থ জেনে বুঝে পড়ূন।
মনে রাখার কৌশল হিসেবে
তুলনা করে বা তারতম্য করে পড়ূন।
অমূলক ভয়-ভীতি থেকে দরে থাকুন
কোনো কোনো ছাত্রকে বলতে
শোনা যায় কোনো একটি বিষয়ে
বা কোন কোন বিষয়ের ব্যাপারে
দুর্বল। আপনি দুর্বল! আপনি দুর্বল?
আপনি দুর্বল এ ধরনের নেতিবাচক
ভাবনা কখনোই মনে স্থান দেবেন
না।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (6,697 পয়েন্ট)  
যেভাবে ভাল ছাত্র হওয়া যায়ঃ
ডেইলি রুটিনঃসময়ের সাথে সবচাইতেবেশি সঙ্গতিপুর্ন হল প্রতিদিনের রুটিন। এইরুটিনের মধ্যে খেয়াল রাখতে হবেসপ্তাহের সব দিনে টোটাল বিষয় সমুহএসেছে কি না। যদি না আসে তবে সেঅনুযায়ী সাজাতে হবে। প্রত্যেক সপ্তাহেরকাজ সপ্তাহেই শেষ করতে হবে।পাঠ্যসুচীতে যা কিছু আছে তার সবটাইঢেলে সাজানো হচ্ছে প্রথম কাজ। যেছাত্র একটি সুন্দর রুটিন মেনে চলে সেভাল না হয়ে পারেনা। দিনের প্রত্যেকক্ষুদ্রাংশকেও ভেঙ্গে সাজাতে হয়। প্রতিদশ মিনিটের জন্য একটি কাজ করা যেতেপারে আর তার রেজাল্ট মাসের শেষেমিলিয়ে দেখলে এমনিতেই ডেইলিরুটিনের গুরুত্ব বুঝা যাবে।
সময় পরিকল্পনাঃএকটি দৈনিক রুটিনেরমাঝে এমন ভাবে সময় প্ল্যান করতে হবেযেন বোরিং না আসে। পড়ার সময় খুববেশি যেন না হয়। দিনে ৬ ঘন্টার বেশিপড়া উচিত না। বেশি পড়লেই ভাল হয় না।ভাল করে পড়লে কম পড়াই যথেষ্ট। তবেমেধানুসারে ৬ঘন্টা থেকে আরো বাড়ানোযেতে পারে। কিন্তু মনে রাখা উচিত সেইবাড়তি সময় যেন মনের উপর প্রভাব নাফেলে।
ডেইলি নোটঃযদি নোট করার অভ্যেস নাথাকে তবে আজি তা আয়ত্বকরুন। নোট এমনএকটি ব্যাপার যা না করলে কখনোই তেমনকিছু মনে রাখা সম্ভব নয়। যে কোন কঠিনবিষয় নিয়ে পড়াশুনা করলেও একটি নোটেরমাধ্যমে তা সহজ করে ফেলা যায়। জটিলবিষয়ের জটিল পয়েন্টসগুলো লিখে রাখাইউত্তম।
নিয়মিত ক্লাসঃক্লাসে নিয়মিত উপস্থিতথাকাটা আবশ্যক। প্রতিদিনের মত যদিক্লাসে উপস্থিত না থাকা যায় তবে সেইঅনুপস্থিত ক্লাসের পড়াটাও সংগ্রহ করাউচিত। শিক্ষকের সাথে একই সময়ে যে পাঠচর্চা করা হয় তা সাথে সাথেই বোধগম্যহয়ে যায়। নিয়মিত ক্লাস করার সুবিধাঅনেক।
পড়া পড়া এবং লেখাঃপড়ার কোনবিলল্প নেই। তবে তা কেবল না বুঝে পড়াইনয়, বুঝে শুনে পড়া। কোন কিছু মগজে নাঢুকতে চাইলে তা লিখে ফেলা উচিত।লিখতে গেলে বিষয়টা খুব ভাল ভাবে মনেথাকে। তাই প্রথম চেষ্টা হচ্ছে পড়া, তারপরের চেষ্টাও পড়া এবং সবশেষে লিখেচেষ্টা করা। এছাড়াও যদি বিষয়টি পড়াশেষ হয়ে যায় তারপর আবার নতুন কতেলিখে দেখা যেতে পারে যে অই বিষয়টিআসলেই আয়ত্ব হয়েছে কি না।
সহায়ক গ্রন্থের পাঠ বাড়ানোঃযে কোনপাঠের বিস্তারিত পাঠ্যবইয়ে না থাকাটাস্বাভাবিক। এর বিস্তারিত জানার জন্যেসহায়ক বইয়ের সাহায্য নেয়া উচিত। যেমনবিজ্ঞান বিষয়ে অন্য অনেক সহায়ক গ্রন্থআছে যা থেকে সেই বিষয়েআরো অনেকজ্ঞান অর্জন করা।
লক্ষ্য ঠিক করাঃভালো স্টুডেন্টদের মূল্যায়ন সব জায়গাতেইহয় এবং এরা অনেক সুযোগপেয়ে থাকেনজীবনের সফলতা অর্জনে। আপনি যদি একজরভালো স্টুডেন্ট হতে চান তাহলে আবশ্যইআপনার জীবনের একটি লক্ষ্য তৈরি করুন।কোন পথে ঠিক কিভাবে এগোবেন সেইবিষয়ে ভাবুন। একটা গতিপথ তৈরি করুন।
অধ্যবসায় করাঃভালো স্টুডেন্ট হতে হলে আপনাকে অধ্যবসায়করতে হবে। জীবনের লক্ষ্য অনুযায়ী এগুতেগিয়ে অধ্যবসায়ের প্রয়োজন রয়েছে।ছাত্রজীবনের অধ্যবসায় আপনাকে জীবনেসফলতা এনে দেবে। কঠিন অধ্যবসায়ইআপনাকে একজন ভালো স্টুডেন্ট তৈরি হতেসহায়তা করবে।
রুটিন করুনঃআপনি ছাত্রজীবনে যে ধরনের কাজ করছেনতার একটি সুনির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন।রুটিনে পড়াশুনা এবং অন্যান্য কাজেরসময়গুলো হিসেব করে ভাগ করে নিন।রুটিনটিতে পড়ার সময়টুকু অবশ্যই বেশিরাখবেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করে যান।এতে করে দেখবেন ফলাফল ইতিবাচক আসবেই, ইনশাআল্লাহ।
আকম আজাদ প্রশ্ন অ্যানসারসের সাথে আছেন বিশেষজ্ঞ হিসাবে। অজানার যেকোনো বিষয়েই জানতে প্রচণ্ড আগ্রহী এবং আত্মবিশ্বাসী। প্রশ্ন ডট কমকে বাছাই করে নিয়েছন জ্ঞান অর্জন ও জ্ঞান বিতরণের মাধ্যম হিসেবে। স্বপ্ন দেখেন একজন উদীয়মান বক্তা ও কলম সৈনিক হওয়ার। এই অভিপ্রায়ে সামনের দিকে অগ্রসর হতে সকলের নিকট দোয়াপ্রার্থী।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
12 জুন "ইন্টারনেট" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Mehedi Hasan (2,124 পয়েন্ট)  
1 উত্তর
11 এপ্রিল "ক্যারিয়ার" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ মাসুদ রানা (3,046 পয়েন্ট)  
1 উত্তর

19,773 টি প্রশ্ন

16,897 টি উত্তর

2,210 টি মন্তব্য

992 জন সদস্য



প্রশ্ন অ্যানসারস এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে কমিউনিটির এই প্ল্যাটফর্মের সদস্যের মাধ্যমে আপনার প্রশ্নের উত্তর বা সমস্যার সমাধান পেতে পারেন এবং আপনি অন্য জনের প্রশ্নের উত্তর বা সমস্যার সমাধান দিতে পারবেন। মূলত এটি বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য একটি প্রশ্নোত্তর ভিত্তিক কমিউনিটি। বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে উন্মক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য।

  1. Siddique

    3076 পয়েন্ট

  2. কামরুল হাসান ফরহাদ

    1960 পয়েন্ট

  3. Mehedi Hasan

    1410 পয়েন্ট

  4. মেজবাহ

    1221 পয়েন্ট

  5. অা ক ম আজাদ

    787 পয়েন্ট

...